রাশিয়ার পক্ষ থেকে একযোগে চালানো ব্যাপক হামলায় ইউক্রেনের বিভিন্ন শহর ও অঞ্চলে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, রাতভর চলা এ হামলার পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধারকাজ এবং সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। কিয়েভসহ আশপাশের এলাকায় প্রায় ৩৫০ জরুরি কর্মী কাজ করছেন বলে জানান তিনি।

তথ্যমতে, атакায় ড্রোন ও ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার করা হয়, যার ফলে বাড়িঘর এবং নাগরিক অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বোরিসপিলে একটি পাঁচতলা ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সেখানে অন্তত ৫০ জনকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। উদ্ধারকাজ এখনো চলছে।

কিয়েভে চারজন নিহত এবং অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। ওডেসা ও আশপাশের অঞ্চলে ড্রোন ও গাইডেড বোমা ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে, যা কয়েক হাজার মানুষকে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। রোমানিয়া সীমান্তের একটি চেকপোস্ট এবং গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিয়েভের রেলস্টেশন এলাকায় হামলায় সাতজনের প্রাণহানি ঘটেছে।

এ ছাড়া, খেরসন, দনেৎস্ক, জাপরিজিয়া, খারকিভ, চেরনিহিভ, ঝিতোমির, সুমি ও দ্নিপ্রোসহ বিভিন্ন অঞ্চলে হামলা চালানো হয়েছে। দেশজুড়ে শিশুসহ অন্তত ১২ জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন।

জেলেনস্কি অভিযোগ করেন, এসব হামলা পরিকল্পিতভাবে সর্বোচ্চ ধ্বংস সাধনের লক্ষ্যে চালানো হয়েছে। হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে, ইউক্রেনকে সমর্থন দেওয়া দেশগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও গোলাবারুদের সরবরাহ দ্রুত বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।