জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ সম্প্রতি এক বক্তব্যে বলেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে সমঝোতা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দেশটির সবচেয়ে বড় সাফল্যগুলোর একটি। তিনি জানান, জার্মানি–ইসরায়েল সম্পর্কের ক্ষেত্রে তিনি কোনও ধরনের নমনীয়তা দেখাতে রাজি নন।
মার্জের এ মন্তব্যের জেরে জার্মান সরকারের ইসরায়েলবিষয়ক নীতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমালোচকরা বলছেন, বার্লিন প্রশাসন গাজায় ইসরায়েলি অভিযানের বৈধতা নিয়ে দ্বৈত মানসিকতা দেখাচ্ছে।
জার্মান সরকার এর আগে জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের কিছু কর্মকাণ্ড আত্মরক্ষার মধ্যে পড়ে না এবং পূর্ব জেরুজালেমে অবৈধ বসতি স্থাপন আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। তবে, আন্তর্জাতিক আদালত বা যুদ্ধাপরাধ তদন্ত চলাকালেও বার্লিনের কৌশলগত ও রাজনৈতিক সমর্থন অব্যাহত রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি দেশটির অবস্থান নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলছে।
গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ ও মানবিক সংকটের প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলে অস্ত্র রপ্তানিতে জার্মানির সীমাবদ্ধতা নিয়ে বিতর্ক থামছে না। একাধিক পর্যবেক্ষক মনে করেন, ইতিহাসজনিত দায়বদ্ধতা এবং সার্বজনীন মানবাধিকার রক্ষা—এই দুইয়ের মধ্যে জার্মান সরকার ভারসাম্য রাখার ক্ষেত্রে ব্যর্থ। একইসঙ্গে, দ্বিমুখী বক্তব্য জার্মানি ও পশ্চিমা মূল্যবোধের প্রতি বৈশ্বিক আস্থায় আঘাত করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
