বেলজিয়ামে চলতি বছরের প্রথমার্ধে ৬৬ বছর বা তার বেশি বয়সী কর্মীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ সময়ে এই বয়সী কর্মীদের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় ২৪ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। মানবসম্পদ প্রতিষ্ঠান এসেরটা প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এই বয়সের কর্মীরা দেশটির মোট শ্রমশক্তির ২ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ১ দশমিক ৬০ শতাংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, অবসরোত্তর বোনাস চালু হওয়াই বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর এই নতুন বোনাসের ফলে কর্মীরা ৬৬ বছর পূর্ণ করার পর আরও কাজ করলে বাড়তি অবসরভাতা জমাতে পারবেন। সরকারি গেজেটে ২০২৬ সালের ১ জুন এই নীতিমালা প্রকাশ হয়।

ফলে, ৬৬ বছর ও তার বেশি বয়সী, স্বেচ্ছায় কর্মরত মানুষের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় প্রায় চার গুণ দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেলজিয়ামের সামগ্রিক কর্মশক্তি আগের চেয়ে বয়স্ক হচ্ছে। ২০১৮ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে কর্মীদের গড় বয়স ৪২ দশমিক ৪ বছর থেকে বেড়ে ৪৪ দশমিক ১ বছরে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া, ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে ৬০ বছর ও তার বেশি বয়সী কর্মীর সংখ্যা দেশটির শ্রমশক্তির ১২ শতাংশে পৌঁছেছে।

এসেরটা গবেষণা চালিয়েছে ৩১ হাজার নিয়োগকর্তার অধীনে থাকা ৩ লাখ ৯০ হাজার বিশেষ খাতের কর্মীদের ওপর। গবেষক এলেন ভ্যান গ্রান্ডারবেক জানান, শারীরিক শ্রমের শ্রমিকেরা সাধারণত আগে অবসর নেন, আর ডেস্কজব বা কম শারীরিক পরিশ্রমের কাজে নিয়োজিত কর্মীরা তুলনামূলকভাবে বেশি বছর কর্মরত থাকেন।