বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, চলমান এল নিনো জলবায়ু প্রভাব আগামী বছরগুলোতে আরও জোরালো হয়ে উঠতে পারে। সংস্থাটির মতে, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ এটি চূড়ান্ত মাত্রায় পৌঁছাতে পারে এবং ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এল নিনোর প্রভাব থাকতে পারে। ফলে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে চরম আবহাওয়া পরিস্থিতি ও তা থেকে সৃষ্টি হওয়া ঝুঁকি বাড়বে বলে সতর্ক করেছে ডব্লিউএমও।

এল নিনো মূলত প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলের পানির পৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে দেখা দেয়। প্রায় দুই থেকে সাত বছর পরপর এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং সাধারণত নয় থেকে বারো মাস স্থায়ী থাকে। এর প্রভাবে বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের ধরন বদলে যেতে পারে। সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এল নিনো পরিস্থিতি আরও সুস্পষ্টভাবে লক্ষ করা যাচ্ছে এবং ২০২৬ সালের আগস্টে তা সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত হতে পারে।

ডব্লিউএমও মহাসচিব সেলেস্টে সাওলো সতর্ক করে জানিয়েছেন, সমুদ্রের অতিরিক্ত উষ্ণতা নিয়ে এল নিনো ২০২৬ সালের শেষে ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছাতে পারে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব ২০২৭ সালজুড়েই টিকতে পারে। এরই মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে খরা, বন্যা ও উষ্ণতার কারণে ক্ষয়ক্ষতি শুরু হয়ে গেছে বলেও জানান তিনি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেলজিয়ামসহ বিশ্বের বিভিন্ন অংশে তাপপ্রবাহ, অতি বৃষ্টিপাত এবং অন্যান্য চরম আবহাওয়া পরিস্থিতি মোকাবিলায় সকলকে প্রস্তুতি নিতে হবে।