বুলগেরিয়ার কাঠ প্রক্রিয়াকরণ ও আসবাব শিল্পে রপ্তানিমুখী কোম্পানিগুলোর অর্ধেকের বেশি চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে রপ্তানি কমে যাওয়ার কথা জানিয়েছে। সম্প্রতি, বুলগেরিয়ার কাঠ প্রক্রিয়াকরণ ও আসবাব সংক্রান্ত পেশাদার সংগঠনের করা এক অনলাইন জরিপে উঠে এসেছে, অংশগ্রহণকারী কোম্পানিগুলোর ৫৫ শতাংশ আগের প্রান্তিকের তুলনায় রপ্তানিতে পতন দেখেছে। একই সময়ে, কোনো কোম্পানিই উল্লেখযোগ্য রপ্তানি প্রবৃদ্ধি পায়নি।
জরিপে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর ৬৬.৭ শতাংশ জানিয়েছে, তাদের উৎপাদন, পরিষেবা, কাঁচামাল কিংবা আনুষঙ্গিক সামগ্রী সংগ্রহে কমতি দেখা গেছে। এতে অংশগ্রহণকারীদের ৪৭.৫ শতাংশ রপ্তানি কার্যক্রম চালালেও, ৫২.৫ শতাংশ শুধুমাত্র দেশীয় বাজারেই ব্যবসা করছে। রপ্তানিকারকদের মধ্যে ৩৫ শতাংশ বলেছে তাদের ব্যবসায় বিশেষ কোনো পরিবর্তন হয়নি; আবার ৩০ শতাংশ জানিয়েছে, তাদের রপ্তানিতে কিছুটা কমতি; ২৫ শতাংশ উল্লেখযোগ্য পতনের কথা বলেছে। মাত্র ১০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের ভাষ্য, রপ্তানিতে কিছুটা উন্নতি হয়েছে।
শিল্প খাতে কর্মসংস্থান নিয়ে বিভক্ত মত পাওয়া গেছে। কোম্পানিগুলোর ১৭.৫ শতাংশ নতুন কর্মী নিয়োগ দিতে চাইলেও, সমানসংখ্যক প্রতিষ্ঠান দক্ষ কর্মী খুঁজে পেতে সমস্যার কথা বলেছে। অন্যদিকে, ১৫ শতাংশ কোম্পানি কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা করছে।
ছয় মাসের মধ্যে ৭০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। তবে, শিল্পের প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে রয়েছে নতুন অর্ডার ও চাহিদার সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কাঁচামাল ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধি, দক্ষ শ্রমিকের ঘাটতি, বাজারের অনিশ্চয়তা ও প্রশাসনিক জটিলতা। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৪৫ শতাংশ আগামী ছয় মাস নিয়ে হতাশা বা আংশিক হতাশার কথা জানিয়েছে।
