সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বজুড়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পরিবারের সদস্যরা শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি শেয়ার করার প্রবণতা বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব শেয়িংয়ের ফলে শিশুদের ব্যক্তিগত জীবনের ওপর গুরুতর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার হুমকি তৈরি হচ্ছে।

বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে, অধিকাংশ অভিভাবকই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সন্তানদের ছবি ও তথ্য প্রকাশ করছেন—অনেক ক্ষেত্রেই শিশুদের অনুমতি ছাড়াই। এর ফলে, তাদের ব্যক্তিগত তথ্য জনসমক্ষে চলে আসছে এবং অনলাইনে তাদের একটি ডিজিটাল ছাপ গঠিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, একবার ইন্টারনেটে প্রকাশিত তথ্য সম্পূর্ণভাবে মুছে ফেলা প্রায় অসম্ভব। এতে শুধু গোপনীয়তাই বিঘ্নিত হচ্ছে না, বরং ভবিষ্যতে শিশুর মানসিক বিকাশ ও নিরাপত্তার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তেই পারে। বেশিরভাগ অভিভাবকই এই ঝুঁকি সম্পর্কে পর্যাপ্ত সচেতন নন।

এ কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শিশুর অনলাইন গোপনীয়তা রক্ষা করতে কার্যকর নীতিমালা ও সচেতনতামূলক উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতন ব্যবহার এবং অভিভাবকদের প্রশিক্ষণ শিশুদের অনলাইনে সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।