বিশ্বজুড়ে বৈদ্যুতিন বর্জ্য বা ই-অবর্জনা দ্রুত বাড়ছে। এ প্রবণতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অবৈধ ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে এসব বর্জ্য সংগ্রহ এবং প্রক্রিয়াকরণের ঘটনা। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, নিবন্ধিত ও অনুমোদিত রিসাইক্লিং কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা কম এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব—দুই মিলেই মূলত এই চিত্র তৈরি হয়েছে।
এ ছাড়া বৈধভাবে ই-অবর্জনা ব্যবস্থাপনার আইনি জটিলতা ও খরচ বেশি হওয়ায় অনেকেই পদ্ধতিগত নিয়ম এড়িয়ে অবৈধ চ্যানেলগুলো কাজে লাগাচ্ছেন। ফলে বিরাট অংশের ই-অবর্জনা নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার বাইরে থেকে যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, বৈদ্যুতিন বর্জ্যে রয়েছে নানা মূল্যবান ধাতু ও ক্ষতিকর উপাদান। অনিয়ন্ত্রিতভাবে এসব উপাদান সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনা হলে পরিবেশে সরাসরি বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। অনুমোদিত ফার্মের সংখ্যা কম থাকায় মাঠপর্যায়ে গোটা প্রক্রিয়ার ওপর নজরদারি আরো জোরদার করা প্রয়োজন।
এ অবস্থায় গবেষক ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ই-অবর্জনা ব্যবস্থাপনায় অবৈধ চ্যানেল নিরুৎসাহিত করতে জরুরি ভিত্তিতে কঠোর নজরদারি এবং সহায়ক প্রণোদনার ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি ভোক্তাদের সচেতনতা বাড়ানো ও আইনি প্রক্রিয়া সহজ করার প্রয়োজনীয়তার কথাও জোর দিয়ে উল্লেখ করেছেন তাঁরা।
