বায়োমেট্রিক তথ্য মূলত ব্যবহারকারীদের স্বতন্ত্র শারীরিক ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে গঠিত। ব্যক্তির আঙুলের ছাপ, চোখের পাতার চিত্র এবং মুখের আকৃতির মতো তথ্য বর্তমানে পরিচয় নিশ্চিত করার কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহার হচ্ছে। তবে এসব তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে প্রযুক্তি ও গোপনীয়তা বিশেষজ্ঞরা লম্বা দিন ধরেই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বায়োমেট্রিক তথ্য কোনোভাবে চুরি বা ফাঁস হলে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চূড়ান্তভাবে ঝুঁকিতে পড়তে পারে। কারণ, অন্য অনেক তথ্যের মতো এগুলো পরিবর্তন বা নবায়ন করার সুযোগ নেই। অপর্যাপ্ত আইনগত কাঠামো ও প্রযুক্তিগত নিরাপত্তার অভাব এই ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলছে।
এ ধরনের নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায়, প্রতিষ্ঠানগুলোকে মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ও উন্নত এনক্রিপশন পদ্ধতি গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি, ব্যবহারকারীদেরও তাদের বায়োমেট্রিক তথ্য কোথায় ও কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে সে বিষয়ে আরও সচেতন থাকার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
