গত বিশ বছরে গ্রীনল্যান্ডের সমুদ্রের তাপমাত্রায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক একদল গবেষক। তাঁদের গবেষণায় পাওয়া গেছে, বরফ গলে যাওয়ায় পূর্ব গ্রীনল্যান্ড অঞ্চলে মিঙ্ক প্রজাতির তিমির সংখ্যা বেড়ে গেছে। এই পরিবর্তন বৃহত্তর সামুদ্রিক পরিবেশের ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে এবং বিশাল এক পরিবেশগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

গবেষকদের মতে, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন সমুদ্রের খাদ্য শৃঙ্খল ও শিকারি-শিকারির পারস্পরিক সম্পর্ক নতুনভাবে গড়ে দিচ্ছে। পূর্ব গ্রীনল্যান্ডের উপকূলে যেসব মাছ ছড়িয়ে পড়ছে, সেগুলিই তিমির জন্য নতুন খাদ্যের উৎস তৈরি করেছে। এ বিষয়ে গ্রীনল্যান্ড প্রাকৃতিক সম্পদ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ম্যাডস পিটার হেইড-ইয়রগেনসেন বলেন, এগুলোকে “বৃহৎ পরিবেশগত পরিবর্তন” হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে, অধ্যাপক হেইড-ইয়রগেনসেন সতর্ক করে বলেন, কিছু তিমি এই পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারলেও, আর্কটিক অঞ্চলের সব জীবের পক্ষে তা সম্ভব নাও হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, একদিকে যেখানেও জলবায়ু পরিবর্তন কিছু প্রজাতির জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে, অন্যদিকে কোনো কোনো প্রাণীর জন্য এটি অস্তিত্বের হুমকি তৈরি করছে। এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে ‘ফ্রন্টিয়ার্স ইন মেরিন সায়েন্স’ জার্নালে।