তুরস্ক চলতি বছরে গবাদি পশু ও ছোট পশু—দুই ক্ষেত্রেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। ইউরোস্ট্যাট ও তুরস্কের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইউরোপের বেশিরভাগ দেশে পশুর সংখ্যা কমলেও তুরস্কে গবাদি পশুর সংখ্যা বেড়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে তুরস্কের গবাদি পশুর সংখ্যা ৪.৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭৭ লাখ ৯ হাজারে। তুলনায়, ইউরোপীয় ইউনিয়নে গরুর সংখ্যা ০.৪ শতাংশ, ভেড়ার সংখ্যা ২.২ শতাংশ এবং ছাগলের সংখ্যা ২.৫ শতাংশ কমেছে। ফ্রান্সের গবাদি পশুর সংখ্যা এখন ১ কোটি ৬২ লাখ ৩৭ হাজার। অথচ তুরস্ক ২০২৪ সালের মতো ২০২৫ সালেও শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে। এ বছরে তুরস্ক ও ফ্রান্সের মধ্যে গবাদি পশুর সংখ্যা পার্থক্য ১৪ লাখ ৭২ হাজারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।

ছোট পশু খাতে, অর্থাৎ ভেড়া ও ছাগলে ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভেড়া আছে স্পেনে—১ কোটি ২৮ লাখ ১০ হাজার। এরপর রোমানিয়া, ফ্রান্স, গ্রিস, ইতালি, আয়ারল্যান্ড, পর্তুগাল ও জার্মানি রয়েছে। এই খাতে তুরস্কের অগ্রগতি আরও চোখে পড়ার মতো; দেশটিতে ছোট পশুর সংখ্যা ৫.৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৭৮ লাখ ৭৪ হাজারে। তুরস্কে বর্তমানে ভেড়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৬৬ লাখ ৮৯ হাজার, যা ইউরোপের সবার উপরে থাকা স্পেনের তুলনায় প্রায় চারগুণ।

ছাগলের পরিসংখ্যানে গ্রিস দশকের পর দশক ধরে শীর্ষে ছিল, তাদের বর্তমান ছাগল রয়েছে ২৩ লাখ ৪১ হাজার। তবে ছাগল পালনে তুরস্ক এবার নতুন রেকর্ড করেছে; তাদের ছাগল বেড়ে হয়েছে ১ কোটি ১১ লাখ ৮৬ হাজার, যা গ্রিসের তুলনায় প্রায় পাঁচগুণ বেশি। মোট মিলিয়ে, পশু ও ডেইরি খাতের বেশিরভাগ সূচকে এবার যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে ইউরোপের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে তুরস্ক।