বুলগেরিয়ার সংসদ ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের জন্য নতুন একটি ব্যবস্থা প্রাথমিকভাবে অনুমোদন করেছে। সংশ্লিষ্ট শ্রম আইন সংশোধনের এই খসড়াকে সমর্থন করেছেন ১১৯ জন সংসদ সদস্য; বিরোধী দলে থাকা ৪৫ জনসহ ডেমোক্র্যাটিক বুলগেরিয়ার ৭ জন সদস্য এর বিরোধিতা করেছেন। এছাড়া, প্রস্তাবিত পরিবর্তন নিয়ে মতামত দেয়ার সময়সীমাও তিন দিনে সীমিত করা হয়েছে।

এই নতুন ব্যবস্থায় ন্যূনতম মজুরি নির্ধারিত হবে চারটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে। এগুলো হলো—জীবনযাত্রার ব্যয়, ক্রয়ক্ষমতা, জাতীয় অর্থনীতিতে মজুরির গড় হার ও তার বণ্টন, মজুরি বৃদ্ধির হার এবং দীর্ঘমেয়াদি শ্রম উৎপাদনশীলতা। আগামী বছরের ন্যূনতম মজুরি চলতি বছরের ১৫ আগস্টের মধ্যে নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে। নিয়মাবলির বিস্তারিত বিষয়বস্তু চূড়ান্ত করবে মন্ত্রিসভা। পাশাপাশি, জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থা নতুন বিধি কার্যকরের নয় মাসের মধ্যে জীবনযাত্রার ব্যয়ের নতুন হিসাব ও পদ্ধতি প্রকাশ করবে।

বুলগেরিয়ার শ্রম ও সামাজিক নীতিবিষয়ক মন্ত্রী জানান, এই ব্যবস্থার মূল লক্ষ্যউ শ্রমিক সংগঠন ও নিয়োগকারীদের মধ্যে সামাজিক সংলাপ প্রতিষ্ঠা এবং আয় বৃদ্ধির সঙ্গে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সমন্বয় সাধন। বিরোধী পক্ষের কয়েকজন সদস্য প্রশ্ন তুলেছেন—পর্যাপ্ত তথ্য ছাড়াই কিভাবে আগামী বছরের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হবে এবং কেন মূল বিষয়গুলো আইন নয়, বরং নিয়মাবলিতে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, নতুন এই পদ্ধতি বিদ্যমান ব্যবস্থার তুলনায় ন্যূনতম মজুরি কমিয়ে দিতে পারে। যদিও সরকারি দল বলছে, এই ব্যবস্থায় মজুরি আরও বাড়বে এবং ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে স্বচ্ছ ও পূর্বানুমেয় কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হবে।