চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে তুরস্কের মোট রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৪ শতাংশ বেড়ে ১৮৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই সময়ে রপ্তানির দিক থেকে জার্মানি ছিল তুরস্কের বৃহত্তম বাজার। জার্মানিতে তুরস্কের রপ্তানি ৩ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৩ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
জার্মানির পরে রপ্তানির তালিকায় আছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইতালি, স্পেন ও ফ্রান্স। যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৯ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলার, যুক্তরাজ্যে ৯ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার, ইতালিতে ৮ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার, স্পেনে ৭ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার এবং ফ্রান্সে ৬ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলার।
জার্মানিতে সর্বাধিক রপ্তানি করেছে ইস্তানবুল ভিত্তিক কোম্পানিগুলো। ইস্তানবুলের রপ্তানি ১ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৫ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার। এরপর পর্যায়ক্রমে আছে বুরসা, কোচালি, ইজমির ও আঙ্কারা।
জার্মানিতে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করা পণ্য খাত ছিল অটোমোটিভ শিল্প, যার রপ্তানি ২ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়িয়ে ৪ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এর পরে রয়েছে প্রস্তুত পোশাক ও কনফেকশন খাত, যা থেকে এসেছে ১ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার।
লোহা ও অ-লোহা ধাতু খাতের রপ্তানি ১৩ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলারে। ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক পণ্য রপ্তানি ৮ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯৬৯ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলারে এবং রাসায়নিক ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের রপ্তানি ১১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯৬৫ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
জার্মানিতে তাজা ফল ও শাকসবজি রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে; এ খাতের রপ্তানি ৪৭ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ২৭০ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার হয়েছে।
