বেলজিয়ামের ইন্টাররিজিওনাল এনভায়রনমেন্ট ইউনিট (IRCEL) জানিয়েছে, সোমবার দেশটির পাঁচটি পরিবেশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে ইউরোপীয় ওজোন সতর্কতা সীমা অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে চারটি কেন্দ্র ফ্লেমিশ অঞ্চলে এবং একটি ব্রাসেলসে অবস্থিত। নির্ধারিত সীমা অনুযায়ী, প্রতি ঘনমিটারে ১৮০ মাইক্রোগ্রাম উপরের ওজোন থাকলে জনগণকে সচেতন করা হয়। তবে, জরুরি সতর্কতার জন্য নির্ধারিত ২৪০ মাইক্রোগ্রাম মাত্রা কোনো কেন্দ্রে ছাড়ায়নি। সবচেয়ে বেশি ওজোন মাত্রা স্কোটেনে রেকর্ড করা হয়েছে, যেখানে ঘণ্টাপ্রতি গড় মাত্রা ছিল ১৯২ মাইক্রোগ্রাম। ব্রাসেলসের একটি স্টেশনে ১৮১ মাইক্রোগ্রাম আর ভ্যালুন অঞ্চলের রিক্সেন্সার্টে ১৬৯ মাইক্রোগ্রাম পর্যন্ত উঠেছে।

পরিস্থিতি নিয়ে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিকট ভবিষ্যতে বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চলে ওজোনের মান অপেক্ষাকৃত বেশি থাকতে পারে। তবে নতুন করে সতর্কতা মাত্রা অতিক্রম হওয়ার সম্ভাবনা কম। পূর্বাভাস অনুযায়ী, শীর্ষ ওজোন মাত্রা ১০০ থেকে ১৩০ মাইক্রোগ্রামের মধ্যে থাকতে পারে। আগামী বুধবার থেকে বায়ুমান উন্নতির আশা করা হচ্ছে এবং ওজোনের ঘনত্ব কমে ৬০ থেকে ৮০ মাইক্রোগ্রামের মধ্যে নেমে আসবে—এটি বছরের এই সময়ের জন্য স্বাভাবিক বলে মনে করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, অতিরিক্ত ওজোন ফুসফুসের কার্যক্ষমতা হ্রাস, চোখ ও শ্বাসনালীতে জ্বালাপোড়া তৈরির ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে যাদের দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসজনিত সমস্যা কিংবা বাতাসে সংবেদনশীলতা রয়েছে, তাদের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। শিশু, প্রবীণ এবং শ্বাসকষ্টে ভোগা ব্যক্তি—এই ঝুঁকিপূর্ণ শ্রেণিকে দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বাইরে শারীরিক কার্যকলাপ কমানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।