বছরের প্রথম ছয় মাসে ব্রাসেলস এয়ারলাইন্স ৭০ মিলিয়ন ইউরো কার্যকর ক্ষতির কথা জানিয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। সংস্থাটি জানিয়েছে, পূর্ব ঘোষণা সত্ত্বেও ২০২৭ সালে বহরে দুটি নতুন এয়ারবাস এ৩৩০ উড়োজাহাজ যোগ করার পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, প্রথমার্ধে তারা ৩৪ হাজার ২০০টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে এবং এতে ৪৫ লাখ যাত্রী পরিবহন করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় ফ্লাইটের সংখ্যা ৮ শতাংশ ও যাত্রীর সংখ্যা ৫.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে শুধু জ্বালানি খাতে অতিরিক্ত ৬৪ মিলিয়ন ইউরো খরচ হয়েছে। অর্থ পরিচালক নিনা ওয়র্ডিক জানান, বছরের বাকি সময় বিশেষ করে গ্রীষ্মকালীন ফলাফল চূড়ান্ত বছরে আর্থিক অবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
একাধিকবার কর্মবিরতি, দেশে আর্থ-সামাজিক অস্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে আর্থিক ফলাফল প্রত্যাশার নিচে থেকে গেছে বলে জানিয়েছে ব্রাসেলস এয়ারলাইন্স। এসব কারণে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনায় সাবধানী অবস্থান গ্রহণ করবে। ২০২৭ সালের গ্রীষ্ম থেকে উড়োজাহাজ ভাড়ার (ওয়েট লিজ) নীতি বন্ধ করার কথাও জানানো হয়েছে। তবে দীর্ঘপাল্লার উড়োজাহাজে নতুন কেবিন যুক্ত করার পরিকল্পনা অব্যাহত থাকবে।
প্রধান কোম্পানি লুফথানসাও কঠিন সময় পার করছে। জ্বালানি খরচ ও কর্মবিরতির কারণে দ্বিতীয় প্রান্তিকে তাদের নেট লাভ ৮৮ শতাংশ কমে ১২৩ মিলিয়ন ইউরোয় এসে দাঁড়িয়েছে; যদিও আয় ৮ শতাংশ বেড়ে ১১ দশমিক ১ বিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে।
