গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের জাতীয় ও কাপোডিসট্রিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের হাইজিন ও এপিডেমিয়োলজি বিভাগের অধ্যাপক গিকাস ম্যাগিওর্কিনিস জানিয়েছেন, দেশটিতে গ্রীষ্মকালে পশ্চিম নাইল ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ে এবং সাধারণত জুনের মাঝামাঝি বা শেষ থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি কিংবা শেষ পর্যন্ত ভাইরাসের বিস্তার অব্যাহত থাকে। তিনি বলেন, এই ভাইরাস আক্রান্ত পাখি থেকে মশার মাধ্যমে মানুষের দেহে প্রবেশ করে, তবে এটি মানুষের মধ্যে সরাসরি ছড়ায় না।

এ বছরের সংক্রমণ পরিস্থিতি গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি বলেও জানান ম্যাগিওর্কিনিস। গত কয়েক বছরে ভাইরাসে আক্রান্ত এলাকার ভৌগোলিক বিস্তারে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশেষ করে পূর্ব আত্তিকায় সংক্রমণের হার বেড়েছে। অঞ্চলটির গ্রামীণ পরিবেশ এই বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে বলে মনে করেন তিনি। আক্রান্ত পাখির উপস্থিতি থাকলে সেসব এলাকায় মশা ভাইরাস বহন করে মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে।

অধ্যাপক ম্যাগিওর্কিনিস জানান, অধিকাংশ রোগীই কোনো লক্ষণ ছাড়াই বা হালকা উপসর্গ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠেন। তবে প্রতি ১৪০ থেকে ১৫০ জন সংক্রমিত ব্যক্তির মধ্যে একজন গুরুতরভাবে অসুস্থ হন।

পশ্চিম নাইল ভাইরাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে পূর্ব আত্তিকায় স্থানীয় প্রশাসন প্রায় ১০ হাজার একর এলাকায় রাতের বেলায় মশা নিধন কর্মসূচি জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।