ফ্লেমিশ শহর, পৌরসভা ও সমাজকল্যাণ কেন্দ্রগুলোর সংগঠন (VVSG) পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, বেলজিয়ামের ফ্লেমিশ অঞ্চলে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে বেকারভাতা হারানো ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ৩১ শতাংশ সামাজিক সহায়তা কেন্দ্রে আবেদন করেছেন। শুক্রবার প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে অঞ্চলটির ৬২টি সরকারি সামাজিক সহায়তা কেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

চলতি নতুন নীতির আওতায় যেসব ব্যক্তি ১২ মাসের বেশি এবং ২৪ মাসের কম সময় ধরে বেকার—এমন চতুর্থ দফার আবেদনকারীরা তাদের নিয়মিত বেকারভাতা হারিয়েছেন। অনুমান করা হচ্ছে, এই ধরনের ব্যক্তির সংখ্যা ১১ হাজার ৭৩২ জনের মতো। এর মধ্যে ৩১ শতাংশ ইতোমধ্যেই আর্থিক সহায়তার আবেদন করেছেন।

এ ছাড়াও, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ১ জুলাইয়ের মধ্যে বেকারভাতা হারাবেন— এমন আরেকটি বড় দফা শুরু হয়েছে, যাদের মধ্যে ২৩ শতাংশ ইতোমধ্যে সহায়তার জন্য আবেদন করেছেন। অপরদিকে, ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল থেকে বেকারভাতা হারানো ব্যক্তিদের মধ্যে তৃতীয় দফার ৫০ শতাংশই সামাজিক সহায়তা চেয়েছেন।

VVSG জানিয়েছে, সামাজিক সহায়তা কেন্দ্রগুলোতে কাজের চাপ বেড়ে গেছে। শুধু অর্থনৈতিক সহায়তার আবেদনের পরিমাণই নয়, কেন্দ্রগুলোর মোট আবেদনের সংখ্যা ইতোমধ্যে ২০২৫ সালের পুরো বছরের চেয়ে বেশি হয়ে গেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রথম দফার অনেক ব্যক্তি কর্মজীবনে ফিরে যেতে পারেননি। আগে তাদের বেকারভাতা দেওয়া হতো অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য, যার ফলে তারা কর্মবাজারের বাইরে রয়েছেন এবং স্থায়ীভাবে কাজে যোগ দিচ্ছেন না।

এ ছাড়া, অনেকেই যারা আগে সমাজকল্যাণ কেন্দ্রে সহায়তা পেতেন এবং পরবর্তীকালে VDAB— স্থানীয় কর্মসংস্থান সংস্থা—এর সহায়তায় চাকরি খুঁজে নিয়েছিলেন, তারা আবারও সহায়তার জন্য ফিরে আসছেন। ফলে 'ঘুর্নায়মান দরজা' পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং কেন্দ্রগুলোর আবেদনের চাপ আরও বেড়েছে।