বেলজিয়ামে সীমান্তবর্তী কর্মীদের জন্য প্রচলিত নিয়ম ও প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে, যা ১৫ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে। দেশটির অভিবাসন ও আশ্রয়বিষয়ক মন্ত্রী অ্যানলিন ভ্যান বসুইতের মন্ত্রিসভা এ বিধিনিষেধ সহজ করার ঘোষণা দিয়েছে। নতুন এই ব্যবস্থায়, বিদেশি নাগরিকদের জন্য আলাদা কোনো অনুমতিপত্র গ্রহণের বাধ্যবাধকতা থাকছে না।
নতুন নীতিমালাটি শুধু নিয়মিত কর্মরতদের নয়, সাময়িকভাবে অন্য দেশে কাজ করতে যাওয়া ফ্রিল্যান্সার এবং কর্মীদেরও আওতার মধ্যে আনবে। মন্ত্রী ভ্যান বসুইত বলেছেন, ১৯৮০-এর দশক থেকে চালু থাকা ব্যবস্থা এ যুগের চাহিদা মেটাতে, ব্রেক্সিট ও ইউরোপীয় অঞ্চলের নতুন যাতায়াত ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হালনাগাদ করা হয়েছে। এ পরিবর্তনের ফলে যারাই সীমান্তবর্তী দেশ থেকে প্রতিদিন বেলজিয়ামে কাজে যাচ্ছেন, তাদের জন্য নিয়মনীতি অনেক সহজ ও পরিষ্কার হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিকরা এখন থেকে বেলজিয়ামে কাজ করতে গেলে তাদের জন্য আলাদা কোনো বেলজিয়ান কাগজপত্রের প্রয়োজন হবে না; কেবল জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট দেখালেই চলবে।
তবে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের নাগরিকদের জন্য আলাদা দুটি ধাপ মেনে চলতে হবে। কেউ যদি বেলজিয়ামের কোনো প্রতিবেশী ইউনিয়নভুক্ত দেশে থাকেন, তাহলে বেলজিয়ামে প্রথম প্রবেশের আট দিনের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট পৌরসভায় নিবন্ধন করতে হবে। শর্তাজ্ঞা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই শেষে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র মিলবে। আর যেসব কর্মী যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন, তাদের বেলজিয়াম দূতাবাসে বিশেষ ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।
সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, বেলজিয়ামে আনুমানিক ৫২ হাজার সীমান্তবর্তী কর্মী রয়েছে। নতুন আয়োজনে এসব শ্রমিকের চাকরির শর্ত, কাজের আবেদন প্রত্যাখ্যানের কারণ এবং কর্মসংস্থান বাতিলের নিয়মও আরও স্পষ্ট করা হয়েছে।
