পোষা কুকুরের দৈনন্দিন যত্ন ও শরীরচর্চা নিশ্চিত করতে দিনের বিভিন্ন সময়ে ভিন্নধর্মী পদ্ধতির পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, সকালে হালকা গতিতে হাঁটাহাঁটি কুকুরের শরীরিক শক্তি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে এবং দিনটি চাঙা ভাবে শুরু হয়।
দুপুরে স্বল্প সময়ের খেলাধুলা ও বিশ্রাম কুকুরের মানসিক এবং শারীরিক ভারসাম্য বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
অন্যদিকে, সন্ধ্যায় অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ হাঁটা কিংবা খোলা জায়গায় মুক্তভাবে খেলা সারাদিন জমে থাকা শক্তি খরচে সহায়তা করে। এ সময় খাদ্য ও পানি গ্রহণও যথাযথভাবে নির্ধারিত সময়ে করা জরুরি। এসব বিষয়ে বিশেষজ্ঞ পশু চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলে খাদ্য ও পানির সময়সূচি তৈরি করা হলে কুকুরের মানসিক চাপ কমে আসে এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্য ও আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আসে।
বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, প্রত্যেক কুকুরের পরিচর্যা ও শারীরিক সক্রিয়তার প্রয়োজনীয়তা তাদের বয়স, জাত ও স্বাস্থ্যগত অবস্থার ওপর নির্ভর করে আলাদা হতে পারে। তাই পোষা প্রাণীর মালিকদের নিরবচ্ছিন্ন পর্যবেক্ষণ ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে নিজ নিজ কুকুরের জন্য উপযুক্ত রুটিন নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে কুকুরগুলো সুখী ও সুস্থ জীবন উপভোগ করতে পারবে।
