বেলজিয়ামে নিজস্ব উদ্যোক্তা হিসেবে ব্যবসা শুরু করা শিক্ষার্থী সংখ্যা রেকর্ড পরিমাণে বেড়েছে। সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, বর্তমানে দেশটিতে এ ধরনের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৯ হাজার ১৫৫ জনে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৫% বেশি। গত কয়েক বছরে এই খাতে যে পতন লক্ষ্য করা গিয়েছিল, তা এবার সম্পূর্ণভাবে কাটিয়ে ওঠা হয়েছে, জানিয়েছে উদ্যোক্তাবিষয়ক সংস্থা ইউনিজো।

ইউনিজোর গবেষণা পরিচালক ফ্রাংক সকেট বলছেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্যোক্তা হওয়ার আগ্রহ ইতিবাচক একটি ধারার সূচনা করেছে। তিনি জানান, পড়াশোনার পাশাপাশি যারা ব্যবসা চালান, তারা বাস্তব অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সুযোগ পান, যা ভবিষ্যতে টেকসই উদ্যোগ গড়ে তুলতে কাজে আসে। তবে সকেট মনে করেন, এ সংখ্যা এখনও সীমিত এবং আরও বেশি তরুণকে উদ্বুদ্ধ করা জরুরি।

পরিসংখ্যান অনুসারে, নিজস্ব ব্যবসা পরিচালনাকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশই পুরুষ। ২০১৭ সালের পর থেকে ছেলে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে, তবে মেয়েদের প্রবৃদ্ধি তুলনামূলক কম। দেশের এসএমই বিষয়ক মন্ত্রী এলেওনোর সিমোঁ যথাযথ কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে তরুণীদের উদ্যোক্তা হিসেবে উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

বেলজিয়ামে উদ্যোক্তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে চার-চতুর্থাংশই ফ্লেমিশ অঞ্চলে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। এসব শিক্ষার্থীর প্রায় অর্ধেক চার বছর পরও ব্যক্তিগত উদ্যোক্তা হিসেবে তাদের পথ চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে ২৫ বছরের কম বয়সী উদ্যোক্তা শিক্ষার্থীরা বার্ষিক প্রায় ৮ হাজার ৬৮৭ ইউরো আয়ের ক্ষেত্রে সামাজিক নিরাপত্তা ফি থেকে অব্যাহতি পাচ্ছেন। এই সুবিধার জন্য শিগগিরই বয়সসীমা তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।