কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি অভ্যন্তরীণ শিক্ষাব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তৈরি হওয়া এআই-ভিত্তিক বিভিন্ন সফটওয়্যার এখন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে এবং শিক্ষকদের জন্য বিস্তারিত বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদন তৈরি করতে সক্ষম। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে শিক্ষার্থীরা আরও ব্যক্তিকেন্দ্রিক ও ফলপ্রসূ শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন।

নতুন এসব অ্যাপ্লিকেশনের সাহায্যে কোন শিক্ষার্থী কোন বিষয়ে দুর্বল, তা সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে। শিক্ষকেরা এসব বিশ্লেষণ কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীর চাহিদা অনুযায়ী বিশেষ পাঠ পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তৈরি করা পাঠ্যবস্তুয়েও শিক্ষার্থীদের শেখার আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে বলা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের অভিমত, প্রযুক্তির এমন দ্রুত অগ্রগতি শিক্ষা খাতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। তবে, সঠিক সফটওয়্যার বাছাই এবং শিক্ষার্থীর স্তরের সাথে সামঞ্জস্য রেখে উপযোগী পাঠ্যবস্তু নিশ্চিত করার বিষয়ে শিক্ষক ও শিক্ষা-প্রশাসকদের গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর প্রযুক্তির বিস্তার, শিক্ষার গুণগত মান ও মানদণ্ড আরও এগিয়ে দেবে।