বেলজিয়ামে তুর্কি ও মুসলিম সম্প্রদায়ের নীরবতা সম্প্রতি সমালোচনার মুখে পড়েছে। দেশটির রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে যখন নানা পরিবর্তন ঘটছে, তখন এসব সম্প্রদায় প্রকাশ্যভাবে তাদের মতামত প্রকাশ না করায় চরম ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলো আরও সক্রিয় হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশি ও অভিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় উদ্যোগের অভাব এবং সংকট কিংবা বৈষম্যমূলক ইস্যুতে সামাজিক প্রতিক্রিয়া না থাকায় বর্ণবাদী ও বৈষম্যমূলক বক্তব্য জনপরিসরে স্থান পাচ্ছে। এতে রাজনৈতিক বিতর্কে মুসলিম ও অভিবাসীদের সহজেই লক্ষ্যবস্তু বানানো সম্ভব হচ্ছে।
অনেকেই মনে করছেন, চরম ডানপন্থী রাজনীতির বিস্তার ঠেকাতে যুক্তিসঙ্গত অবস্থান নেওয়া জরুরি। এক্ষেত্রে তুর্কি ও মুসলিম সম্প্রদায়ের উচিত অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্রে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়া, নিজস্ব অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান নেওয়া এবং বিভিন্ন সমস্যার কথা খোলাখুলিভাবে আলোচনায় আনা।
এদিকে পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করেছেন, যদি নীরবতা চলতে থাকে, তাহলে এইসব সম্প্রদায়ের বিদ্যমান অধিকার আরও দুর্বল হয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
