গ্রিসের বৃহত্তম দ্বীপ ক্রিটে গত কয়েক বছরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া রূপালি মুখের বেলুন মাছের কারণে স্থানীয় জেলেরা মারাত্মক সমস্যার মুখে পড়েছেন। এই আগ্রাসী বেলুন মাছ ইতিমধ্যে কমে আসা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে, একই সঙ্গে সেখানে মাছ ধরার খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলের এ মাছ নিজের শরীরে পানি জমিয়ে তা ফোলাতে পারে, ফলে শিকারির আক্রমণ থেকে বাঁচতে সহজ হয়। প্রথমবার ২০০৩ সালে সুয়েজ খাল পার হয়ে বেলুন মাছ ভূমধ্যসাগরে প্রবেশ করে। ২০০৫ সালে এটি প্রথম ক্রিট এবং পরে রোডস দ্বীপে ধরা পড়ে। এরপর থেকে এটি গ্রিসের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে।

গ্রিসের মেরিন রিসার্চ সেন্টারের গবেষণা পরিচালক ও জীববিজ্ঞানী পারাস্কেভি কারাচলে জানান, বেলুন মাছের এই বিস্তার আরও বিস্তৃত একটি বিতর্কিত আগ্রাসী প্রজাতির সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভূমধ্যসাগরজুড়ে এক হাজারের বেশি আগ্রাসী প্রজাতির অস্তিত্ব রয়েছে, যাদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই সুয়েজ খাল হয়ে এসেছে। কারাচলে আরও জানান, শুধুমাত্র গ্রিসেই ২০০টি আগ্রাসী প্রজাতি পাওয়া গেছে, যার মধ্যে মাছ ছাড়াও চিংড়ি ও জেলিফিশ রয়েছে।