বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম আলো ব্যবহারের ক্ষেত্র বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আলো দূষণের ফলে পাখি ও কীটপতঙ্গের স্বাভাবিক অভ্যাস যেমন গমন, প্রজনন ও খাদ্য সংগ্রহ বিঘ্নিত হচ্ছে। রাতে স্বাভাবিক অন্ধকার কমে যাওয়ায় প্রাণীদের জৈবিক ছন্দে বিঘ্ন ঘটে এবং বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে টিকে থাকার ক্ষেত্রে সংকট তৈরি হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম আলোর কারণে অনেক পাখি তাদের অভিবাসনপথ থেকে সরে যায় বা দিকবিভ্রান্ত হয়, এতে শক্তি ক্ষয় হয় এবং শেষ পর্যন্ত মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। অপরদিকে, কীটপতঙ্গের দম্পত্য ও খাদ্য সংগ্রহের স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। পরিবেশবিদদের মতে, এসব পরিবর্তনের ফলে সম্পূর্ণ বাস্তুতন্ত্রে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
পরিবেশ গবেষক ও বিজ্ঞজনেরা অনতিবিলম্বে আলো দূষণ কমাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। অন্যথায়, সামনের বছরগুলোয় বাস্তুতন্ত্রে এমন ক্ষতি হতে পারে, যা আর ফেরানো সম্ভব নাও হতে পারে। এ অবস্থায় সবার মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো ও পরিকল্পিতভাবে শহরের আলোকায়ন ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।
