ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ এবং আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার হামলার পর উদ্ধার ও জরুরি সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, উদ্ধার কাজে জরুরি সেবা বিভাগের ৬০০-র বেশি কর্মী ও পুলিশ অংশ নিয়েছেন। তারা কিয়েভ, ব্রোভারি ও বোরিসপলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম চালাচ্ছেন। এ সময় উদারকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
হামলায় কিয়েভ ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় অন্তত ৩০টি আবাসিক ভবন ছাড়াও একটি স্কুল, শিশু হাসপাতাল ও একটি ডে-কেয়ার সেন্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কিয়েভে কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছেন এবং অনেকেই আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসা ও সহায়তার ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি।
তিনি জানান, এটি ইউক্রেনের ওপর চালানো সবচেয়ে বড় এবং ব্যাপক হামলাগুলোর একটি। বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৬৮টি ড্রোন ব্যবহার করেছে রাশিয়া। ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সব রুশ 'ক্যালিবার' ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করেছেন জেলেনস্কি। এছাড়া, মোট ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ৯৩ শতাংশ ও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ড্রোন ওড়ার আগেই ধ্বংস করা হয়েছে।
সবচেয়ে বড় হুমকি হচ্ছে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। জেলেনস্কির মতে, এই হুমকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও অবকাঠামোর মাধ্যমে প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালীভাবে গড়ে তোলা জরুরি। তিনি বলেন, রাশিয়ার এ ধরনের হামলার বিরুদ্ধে নীরব থাকা সম্ভব নয়। ইউক্রেনের জনগণের ঐক্য, দেশটির সশস্ত্র বাহিনী ও বন্ধুদেশগুলোর সহায়তায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন প্রেসিডেন্ট।
