বেলজিয়ামের সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ভিয়াস ইনস্টিটিউট এক জরিপে জানিয়েছে, শহরের ভেতরের ৩০ কিলোমিটার গতিসীমার এলাকায় অধিকাংশ গাড়িচালক নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করেন। গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত দুই মিলিয়ন গাড়ির গতিমাপক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রতি তিনজন চালকের মধ্যে দু’জন গতিসীমা মানেন না।
জরিপ অনুযায়ী, এসব অঞ্চলে গাড়ির গড় গতি প্রতি ঘণ্টায় ৪১ কিলোমিটার—যা বৈধ সীমার চেয়ে অনেক বেশি। অঞ্চলভেদে পার্থক্যও রয়েছে—ফ্লেমিশ অঞ্চলে গড় গতি ৩৭ কিলোমিটার এবং ভ্যালুন অঞ্চলে ৪৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।
বিশ্লেষণে আরও দেখা যায়, স্বাভাবিক প্রযুক্তিগত সহনশীলতা ধরেও প্রতি ১০০ জন চালকের মধ্যে অন্তত ৬৫ জনকে জরিমানা করা হতো। চালকদের ছয় শতাংশ ৩০ কিলোমিটারের সীমা ছাড়িয়ে আরও ৩০ কিলোমিটার বেশি গতিতে গাড়ি চালান। এসব এলাকায় রাডার যন্ত্রে সর্বোচ্চ গতির রেকর্ড ছিল ১১৯ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।
অন্যদিকে, মহাসড়ক ও ৭০-৯০ কিলোমিটার গতিসীমা-নির্ধারিত এলাকায় গাড়ির গতি মোটামুটি নিয়ন্ত্রিত রয়েছে। ২০২১ সালে মহাসড়কে ৪৪ শতাংশ চালক নির্ধারিত ১২০ কিলোমিটার গতি ছাড়িয়ে যান। ২০২৬ সালে তা হ্রাস পেয়ে ২৩ শতাংশে নেমে এসেছে।
ভিয়াস ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, মহাসড়কে গতি নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি ও এলাকা ভিত্তিক নজরদারি, এবং বৈদ্যুতিক গাড়ির বিস্তার এসব ইতিবাচক পরিবর্তনের পেছনে ভূমিকা রেখেছে। সংস্থাটি শহরের ৩০ ও ৫০ কিলোমিটার গতিসীমা-নির্ধারিত এলাকায় যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণে অবকাঠামো উন্নয়ন ও নজরদারি বাড়ানোর সুপারিশ করেছে।
