গ্রীষ্মকালীন খরার কারণে বেলজিয়ামের নদ-নদী ও জলপথে পানি স্তর বিপজ্জনকভাবে কমে গেছে। আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, সামনে আরও গরম ও কম বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে।

গত সপ্তাহে ব্রাসেলসে গঠিত খরা বিষয়ক টাস্কফোর্স সতর্কবার্তা জারি করেছে এবং জনগণকে পানি সংকট সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। ব্রাসেলস নৌপথে কখনো কখনো পানির স্তর নেমে গেলেও, বন্দর কর্তৃপক্ষ নৌযান চলাচলে কিছু বিধিনিষেধ আরোপসহ কৌশলগত পদক্ষেপ নিয়েছে, যেন পানি সংরক্ষণ নিশ্চিত করা যায়। এছাড়া, জনগণকে পানির অপচয় এড়াতে এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। যদিও ব্রাসেলস সরকার জানিয়েছে, মূল নদী মিউসে পানির স্তর কমে এলেও, এখনো পানীয় জলের সরবরাহে ঝুঁকি তৈরি হয়নি।

দেশের উত্তরাঞ্চলীয় ফ্লেমিশ এলাকায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। সেখানে আগাম সতর্কতা স্বরূপ 'কমলা' সংকেত জারি করা হয়েছে। অনেক নদীর পানি স্তর সর্বনিম্ন রেকর্ড ছুঁয়েছে, পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ পানিও বিপজ্জনকভাবে কমে এসেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। পানি সংকট কাটেনি বলেও কর্তৃপক্ষ মনে করছে—তারা নদী থেকে পানি উত্তোলন নিষিদ্ধসহ টন নানা নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

এদিকে দক্ষিণের ভ্যালোন অঞ্চলেও কয়েকটি এলাকায় পরিস্থিতি সংকটপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আটটি পৌরসভায় পানির ব্যবহার সীমিত করতে নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।