ইংল্যান্ডের পরিবেশ সংস্থা জানিয়েছে, দেশটির মধ্য, পূর্ব ও দক্ষিণের বিস্তীর্ণ এলাকায় হঠাৎ খরার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। এসব অঞ্চলের নদীতে পানি কমে যাচ্ছে, কৃষকদের আগেভাগেই ফসল কাটতে হচ্ছে এবং বনভূমিতে বাড়ছে আগুন লাগার আশঙ্কা। বিশেষ করে ইস্ট অ্যাংলিয়া, হার্টফোর্ডশায়ার, পুরো লন্ডন, টেমস ভ্যালি, হ্যাম্পশায়ার, ওয়াইট দ্বীপ, ডেভন ও কর্নওয়াল, পশ্চিম মিডল্যান্ডস এবং ওয়েসেক্স খরার প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভব করছে।

পরিবেশ সংস্থার তথ্যমতে, স্বল্প বৃষ্টিপাত ও তীব্র গরম একসঙ্গে থাকায় খরা দ্রুত বাড়ছে। চলতি বছরের জুলাই মাসে স্বাভাবিকের তুলনায় মাত্র সাত শতাংশ বৃষ্টি হয়েছে। ইংল্যান্ডের প্রায় ৭৮ শতাংশ নদী এখন স্বাভাবিকের চেয়ে কম অথবা আরো নিচে অবস্থান করছে। আর প্রতি ছয়টি নদীর একটিতে পানির পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে।

দেশটিতে চলতি বছরে চতুর্থবারের মতো তাপপ্রবাহ আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে খরার মাত্রা ও বনফায়ারের ঝুঁকি আরও বাড়বে। পরিবেশ সংস্থার পানিসংক্রান্ত পরিচালক হেলেন ওয়েকহ্যাম জানান, 'তীব্র গরম ও খরার কারণে পানির ব্যবহার প্রকৃতির স্বাভাবিক পূরণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি হচ্ছে। টানা দ্বিতীয় বছর গ্রীষ্মে এমন খরা দেশের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও অর্থনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে।'