দিন দিন ডিজিটাল প্রতারণার ঘটনা বাড়ছে, যার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে বিভিন্ন সরকারি সামাজিক সেবার ওপর। প্রতারকরা নানা নতুন কৌশলে সাধারণ মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করে, ফলে প্রকৃত সুবিধাভোগীর বদলে প্রতারণার মাধ্যমে সামাজিক সহায়তা চলে যাচ্ছে ভুল হাতে। এতে সরকারি সম্পদের নিরাপত্তা আগের চেয়ে আরও হুমকির মুখে পড়েছে।

বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলো। দফায় দফায় নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রবল চাপ অনুভব করছে প্রশাসন। বাজেটে অপ্রত্যাশিত ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে এবং প্রকৃত দরিদ্র ও প্রয়োজনীদের সহায়তা পৌঁছাতে বিলম্ব হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত জনগণের ডিজিটাল সচেতনতা ও দক্ষতা বাড়ানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

পাশাপাশি, কর্তৃপক্ষ বাড়তি সতর্কবার্তা জারি করেছে, যাতে সবাই সন্দেহজনক লেনদেন বা তথ্যপ্রদান লক্ষ করলেই সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনকে জানায়। টেকসই সমাজসেবা কার্যক্রম নিশ্চিত করতে কেবল সরকারি নয়, সাধারণ জনগণকেও আরও দায়িত্ববান হতে হবে। এ জন্য কড়াকড়ি নজরদারি আর ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নেওয়ার সুপারিশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।