বেলজিয়ামে মানুষেরা আগের তুলনায় দীর্ঘ সময় ধরে নিজেদের প্রাকৃতিক দাঁত রাখতে পারছেন। উন্নত ডেন্টাল কেয়ার ও প্রতিরোধমূলক চিকিৎসার প্রসারের কারণে এখন অনেকেই বার্ধক্যেও নিজেদের দাঁত ঠিকঠাক রাখতে সক্ষম হচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, প্রাকৃতিক দাঁত কৃত্রিম দাঁতের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর, শক্তিশালী এবং এটি চোয়ালের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সমাজে মুখগহ্বর স্বাস্থ্য বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গিরও পরিবর্তন এসেছে। এখন মানুষ শুধু দাঁতে ব্যথা অনুভব করলেই নয়, বরং নিয়মিত চেকআপের জন্যও ডেন্টিস্টের কাছে যাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রবণতা বাড়াতে ডেন্টাল চিকিৎসকদের উদ্যোগ এবং সরকারি সহায়ক ভর্তুকি ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা রাখছে। ফলে বিগত সময়ের তুলনায় বর্তমানে দাঁত হারানোর হার কমেছে।

তবে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন অনেকে। বয়স্ক জনসংখ্যা ও প্রতিরোধমূলক চিকিৎসার চাহিদা বাড়ার কারণে ডেন্টিস্ট পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেন্টাল শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে, চাহিদার সাথে সেই সংখ্যা তাল মিলাতে পারছে না। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এটিকে স্বাস্থ্যব্যবস্থার ব্যর্থতা নয় বরং মুখগহ্বর স্বাস্থ্য উন্নয়নের স্বাভাবিক ফলাফল হিসেবে দেখতে হবে। দীর্ঘমেয়াদে নিজেদের দাঁত সুস্থ রাখা সামাজিক ও ব্যক্তিগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন তারা।