শিশুরা অনলাইনে নানা ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ছে, যা কেবলমাত্র অভিভাবকের নজরদারিতে পুরোপুরি সমাধান সম্ভব নয়। ডিজিটাল জগতে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নীতিনির্ধারকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধু ব্যক্তিগত চেষ্টা যথেষ্ট নয়; বরং ডিজিটাল সাক্ষরতার প্রসার এবং ইন্টারনেট নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ইন্টারনেট বিষয়ে সচেতনতামূলক শিক্ষা শিশুদের বিভিন্ন অনলাইন হুমকি ও ঝুঁকি আগে থেকেই শনাক্ত করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে শিশু-বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং কনটেন্ট যাচাই-বাছাইয়ের ওপর অধিক নজরদারি প্রয়োজন।

এছাড়া, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সমাজপতিদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আরও নিরাপদ ও উপকারী করে তোলা সম্ভব। এই পর্যবেক্ষণ ও অংশগ্রহণ মিলিয়ে ডিজিটাল মাধ্যমে শিশুদের ঝুঁকি হ্রাসের পাশাপাশি তাদের বিকাশের সুযোগও বৃদ্ধি পাবে।