বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমের গুণগত মান সরাসরি ব্যক্তির দৈনন্দিন শারীরিক ও মানসিক কর্মক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুম না হলে মনোযোগ ও উদ্দীপনা কমে যায়, ফলে কর্মক্ষেত্র ও সামাজিক পরিসরে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মিত বা নিম্নমানের ঘুমের ফলে শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলেও সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। নিয়মিত ও ভালো ঘুম শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করার পাশাপাশি মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে। যাঁরা জীবনমান বাড়াতে চান, তাঁদের জন্য ঘুমের স্বাস্থ্যবিধি মানার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

গবেষণা বলছে, প্রতিদিন পর্যাপ্ত ও মানসম্মত ঘুম দৈনন্দিন উৎপাদনশীলতা ও মানসিক সুস্থতা ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই, স্বাস্থ্য ও সুখী জীবনযাপনের জন্য ঘুমকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা।