ইরানের সঙ্গে জুলাই মাসে সাম্প্রতিক সংঘাতের ফলে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহে গুরুতর সংকটে পড়েছে বেলজিয়াম। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে ইউরোপের জন্য গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায়, মূলত রাশিয়ার এলএনজি-র ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে বেলজিয়াম।

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের বিঘ্ন, ইউরোপ জুড়ে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে অনেক ইউরোপীয় গ্রাহক এলএনজি মজুদ করা থেকে বিরত রয়েছেন। ব্লুমবার্গের তথ্যমতে, আগের বছর চতুর্থ সর্বোচ্চ এলএনজি আমদানিকারক দেশ ছিল বেলজিয়াম। কিন্তু এবছর তাদের এলএনজি আমদানি শতাংশের বিচারে ৪০ ভাগেরও বেশি হ্রাস পেয়েছে। যদিও রাশিয়া থেকে আমদানি কিছুটা কমেছে, তবে এই পরিস্থিতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের জ্বালানি নীতিতে জটিলতা তৈরি করছে।

বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বেলজিয়াম প্রায় ০.৪ মিলিয়ন টন এলএনজি রাশিয়া থেকে কিনেছে। দেশটি নরওয়ে ও যুক্তরাজ্য থেকেও পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস পাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন সদস্য দেশগুলো স্বল্পমেয়াদী চুক্তিতে রাশিয়ান গ্যাস আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা এবং আগামী বছরে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের লক্ষ্যে পরিকল্পনা করেছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র সংকটের কারণে রুশ এলএনজি-র আমদানি আপাতত বেড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরে রাশিয়া এখনই ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহৎ এলএনজি সরবরাহকারী।