মাটির স্বাস্থ্যগত অবনতি খাদ্য উৎপাদনে উৎপাদনশীলতা কমে আসার পাশাপাশি পরিবেশগত ঝুঁকি বাড়ায়। এ প্রেক্ষাপটে টেকসই কৃষি পদ্ধতি পরিবেশের ভারসাম্য অটুট রাখতে কার্যকর সমাধান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই ধরনের চাষাবাদ, কেবল মাঠে নয়, দৈনন্দিন জীবনে বহুমুখী ইতিবাচক প্রভাব রাখে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অর্গানিক সার ব্যবহার, শস্য পর্যায়ক্রমিক চাষ এবং সীমিত মাত্রায় জমি চাষসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ মাটির গুণগত মান রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। দীর্ঘমেয়াদে টেকসই খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিতে মাটি উর্বরতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। মাটির জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা ছাড়া নিরাপদ কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

চাষি, নীতিনির্ধারক ও ভোক্তাদের পারস্পরিক সহযোগিতা ছাড়া স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা কঠিন। বিভিন্ন গবেষণার তথ্য বলছে, মাটির স্বাস্থ্যের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ালে উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোগান্ত পর্যন্ত সমগ্র খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই খাতের টেকসই উন্নয়ন এবং চাষাবাদে উদ্ভাবনী নীতিমালা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সমন্বিত শিক্ষা ও দ্রুত নীতি উন্নয়ন অপরিহার্য।