ইউরোপজুড়ে সৌর ও বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন কিছুটা কমলেও, জার্মানিতে এই চিত্র একটু আলাদা। দেশটিতে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সীমাবদ্ধতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেকসই শক্তি সরবরাহ ধরে রাখতে হলে নতুন প্রযুক্তি ও সংরক্ষণ ব্যবস্থায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।
নতুন আইন ও বাজারব্যবস্থার কারণে জার্মানিতে মাঝে-মধ্যে বিদ্যুতের দাম নেতিবাচক পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে, ফলে কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনা করা আর লাভজনক থাকছে না। এতে করে অনেক প্রতিষ্ঠান উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখছে। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের হার দাঁড়িয়েছে ৪৫.৫ শতাংশে।
জার্মানিতে চলতি বছরে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন সীমাবদ্ধতার হার ২০ শতাংশ বেড়েছে। তবে নেতিবাচক দামের সময়কাল মোটের ওপর ২৩ শতাংশ কমেছে। নতুন ‘সোলার সামিট আইন’ চালুর কারণে মূল্য নেতিবাচক হলে কেন্দ্রগুলো আর ভর্তুকি লাভের সুযোগ পায় না।
ইউরোপের অন্যান্য দেশের মধ্যে, যেমন ফ্রান্সে, এই সীমাবদ্ধতা তুলনামূলক কমেছে। ফিনল্যান্ডে এ হার সবচেয়ে বড় প্রবৃদ্ধিমূলক হারে কমেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিদ্যুৎ চাহিদা এবং সরবরাহের ভারসাম্য বজায় রাখতে সংরক্ষণ ক্ষমতা বাড়ানো এবং স্মার্ট মিটার ও নমনীয় তারিফ চালুর ব্যবস্থা গ্রহণের বিকল্প নেই।
জার্মানি নতুন নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংরক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে, যা ইউরোপের জন্য শক্তি খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে।
